আমতলীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া সনদে বছরের পর বছর সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
- আপডেট এর সময় : ০৩:০০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / 197
বরগুনার আমতলীতে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে নাম ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দুটি মাদ্রাসার তিন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেওয়াবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও চাওড়া ইউনিয়নের পূর্ব পাতাকাটা এমএ দাখিল মাদ্রাসায় প্রতারণা করে চাকরি করছেন তারা। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কুকুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেওয়াবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কামাল হোসেন ১৯৯৩ সালে পূর্ব পাতাকাটা এমএ দাখিল মাদ্রাসা থেকে তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হওয়ার পরে লেখাপড়া করেননি। কিন্তু ২০০১ সালের কৃষি ডিপ্লোমা পাসের একটি সনদ দিয়ে তিনি মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। চাওড়া ইউনিয়নের পূর্ব পাতাকাটা এমএ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভি মজনুল হক ১৯৮৪ সাল থেকে আ. কুদ্দুস মিয়া নামের সনদ দিয়ে জুনিয়র মৌলভি পদে চাকরি শুরু করেন। পরে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত মজনুল হক নামে চাকরি করে আসছেন তিনি। একই মাদ্রাসার আব্দুর রব নামে আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজে নিয়োগপত্র তৈরি করে সহ-সুপার পদে অবৈধভাবে চাকরি করার অভিযোগও উঠেছে। পূর্ব কেওয়াবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কামাল হোসেনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। আর পূর্ব পাতাকাটা এমএ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মজনুল হক ও আব্দুর রবের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। এদিকে, আমতলী উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এ কে এম খায়রুল বাশার বুলবুল বলেন, অবৈধ পন্থায় সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন দেখবে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিয়ষটি নিয়ে জানতে চাইলে আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মবর্তা অলি আহাদ বলেন, এনিয়ে তার কাছে কোন অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অভিযোগ পেলে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতারণা করে সরকারি অর্থ আত্মসৎসহ এই ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে, এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।





















