০৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরাদ্দ পেলেও অগ্রগতি নেই কানাইখাল নদী খনন প্রকল্পের; ফসল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় চাষী

Jaffrey Alam
  • আপডেট এর সময় : ১০:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 71

সুনামগঞ্জের হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসণে কানাইখাল নদী খননের কাজে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও দুর্ভোগ কমেনি জামালগঞ্জের পাগনার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের। চলতি বছর জলাবদ্ধাতার কারণে প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করতে পারেনি তারা। এরপরও বিষয়টি নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্টদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনে কানাইখালী নদী খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও অপরিকল্পিত খনন এবং লুটপাটের কারণে সাফল্যের মুখ দেখেনি প্রকল্পটি। ফলে ঋণের টাকায় সেচের ব্যবস্থা করে আবাদ করছেন তারা। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে চাষাবাদের খরচ, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে লোকসানও।
যদিও জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোমের দাবি, হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছেন তারা। শিগগিরই সমস্যার সমাধান করা হবে। এনিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
আর পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলছে, কানাইখাল নদী খননে শিগগিরই নেয়া হবে উদ্যোগ। চাষী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের ৯৫টি হাওরের মধ্যে অন্যতম পাগনার হাওর। এই হাওরের ধান ঘরে তুলতে পারলে হাসি ফোটে কৃষকের মুখে। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে এই হাওরে পানি থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চাষাবাদ। জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক। তাই পানি নিষ্কাশনে কানাইখালী নদী খননে উদ্যোগে নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

28 July 2026

বরাদ্দ পেলেও অগ্রগতি নেই কানাইখাল নদী খনন প্রকল্পের; ফসল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় চাষী

abc

বরাদ্দ পেলেও অগ্রগতি নেই কানাইখাল নদী খনন প্রকল্পের; ফসল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় চাষী

আপডেট এর সময় : ১০:৫৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুনামগঞ্জের হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসণে কানাইখাল নদী খননের কাজে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও দুর্ভোগ কমেনি জামালগঞ্জের পাগনার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের। চলতি বছর জলাবদ্ধাতার কারণে প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করতে পারেনি তারা। এরপরও বিষয়টি নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্টদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনে কানাইখালী নদী খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও অপরিকল্পিত খনন এবং লুটপাটের কারণে সাফল্যের মুখ দেখেনি প্রকল্পটি। ফলে ঋণের টাকায় সেচের ব্যবস্থা করে আবাদ করছেন তারা। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে চাষাবাদের খরচ, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে লোকসানও।
যদিও জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোমের দাবি, হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছেন তারা। শিগগিরই সমস্যার সমাধান করা হবে। এনিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
আর পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলছে, কানাইখাল নদী খননে শিগগিরই নেয়া হবে উদ্যোগ। চাষী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
সুনামগঞ্জের ৯৫টি হাওরের মধ্যে অন্যতম পাগনার হাওর। এই হাওরের ধান ঘরে তুলতে পারলে হাসি ফোটে কৃষকের মুখে। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে এই হাওরে পানি থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চাষাবাদ। জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক। তাই পানি নিষ্কাশনে কানাইখালী নদী খননে উদ্যোগে নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

28 July 2026

বরাদ্দ পেলেও অগ্রগতি নেই কানাইখাল নদী খনন প্রকল্পের; ফসল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় চাষী