১২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, দুই জেলের কারাদণ্ড, পুড়িয়ে বিনষ্ট ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০২:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 34

পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, দুই জেলের কারাদণ্ড, পুড়িয়ে বিনষ্ট ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল

সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ এবং অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহারের অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে দুই জেলেকে চার দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলিমনগর ঘাট থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণ এবং নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহারের দায়ে দুই জেলেকে আটক করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে চার দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহীনূর রহমান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ ছাড়া নৌপুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)র একটি করে দল অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে।

প্রশাসনের বক্তব্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-মোঃ ইকরামুল হল নাহিদ বলেন, এ ধরনের অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন, ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার সুরক্ষা এবং নদীতে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ ও অবৈধ জালের ব্যবহার মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে নদীতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মৎস্যসম্পদ রক্ষা, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ জাল ব্যবহার না করার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত এ অভিযান পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার প্রতিরোধ এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

2 November 2026

পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, দুই জেলের কারাদণ্ড, পুড়িয়ে বিনষ্ট ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, দুই জেলের কারাদণ্ড, পুড়িয়ে বিনষ্ট ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল

আপডেট এর সময় : ০২:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ এবং অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহারের অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে দুই জেলেকে চার দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলিমনগর ঘাট থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণ এবং নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহারের দায়ে দুই জেলেকে আটক করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে চার দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহীনূর রহমান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ ছাড়া নৌপুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)র একটি করে দল অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করে।

প্রশাসনের বক্তব্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-মোঃ ইকরামুল হল নাহিদ বলেন, এ ধরনের অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন, ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার সুরক্ষা এবং নদীতে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ ও অবৈধ জালের ব্যবহার মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে নদীতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মৎস্যসম্পদ রক্ষা, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা এবং অবৈধ জাল ব্যবহার না করার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত এ অভিযান পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকার প্রতিরোধ এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

2 November 2026

পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার, দুই জেলের কারাদণ্ড, পুড়িয়ে বিনষ্ট ১২০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ২০০ মিটার রিং জাল