২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে নৌকা ও দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্ক: এনসিটিবির সংশোধনীর উদ্যোগ
- আপডেট এর সময় : ১২:১৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 13
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ে রাজনৈতিক প্রতীকের সাদৃশ্য এবং কিছু নির্দিষ্ট ছবির আধিক্য নিয়ে শিক্ষা অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের পিরামিডের সর্বোচ্চ স্তর বোঝাতে রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি ব্যবহার করায় তা তীব্র রাজনৈতিক রূপ নেয়। জানা গেছে, ২০২৫ সালের বইয়েও এটি ছিল এবং ২০২৬ সালে মস্তিষ্কের ছবি দিয়ে তা পরিবর্তন করা হলেও ২০২৭ সালের সংস্করণে রহস্যজনকভাবে তা পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়। এনসিটিবি কর্মকর্তা মু. আব্দুল্লাহ আল যোবায়ের এটিকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গ্রাফিকস নকশার অংশ বলে দাবি করলেও সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত ষষ্ঠ শ্রেণির এই আইসিটি বইটির মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। মাঠপর্যায় থেকে এসব বই ফেরত এনে দাঁড়িপাল্লার পরিবর্তে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি প্রতিস্থাপন করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংশোধিত বই সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকের বিভিন্ন শ্রেণির বাংলা ও ইংরেজি পাঠ্যবইয়ে অতিরিক্ত মাত্রায় নৌকার ছবি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’-এ অন্তত ৩৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৩টি এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২৪-২৫টি নৌকার ছবি রাখা হয়েছে; এমনকি দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি বইয়েও এর উপস্থিতি রয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ বলছেন যে নদীমাতৃক বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে নৌকার নিবিড় যোগসূত্র রয়েছে এবং পাঠের সামঞ্জস্যতাই মূল বিবেচ্য, তবুও প্রাথমিকের বইগুলোতে নৌকার এই প্রাচুর্য ও ছবিগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ স্পষ্ট করা হয়নি।




















