০৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘গরিবের মাছ’ পাঙাশ ও তেলাপিয়া এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০৩:১৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 10

‘গরিবের মাছ’ পাঙাশ ও তেলাপিয়া এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে

রুই-কাতলার পর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের আমিষের শেষ ভরসা পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও এখন আকাশচুম্বী। রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে আকারভেদে প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় এবং তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। ২০২২ সালের তুলনায় এসব মাছের দাম প্রায় ২৫ থেকে ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের পাতে মাছের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ৪ লাখ ৫ হাজার টন পাঙাশ এবং ৩ লাখ ৫৪ হাজার টন তেলাপিয়া উৎপাদিত হয়েছে। তবে মাছের প্রধান উপাদান মাছের খাবারের (ফিড) অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন স্তরের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে খামার থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খরচ বেড়ে গেছে। এর ফলে খুচরা বাজারে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যেখানে ক্রেতারা আগে এক-দুই কেজি কিনলেও এখন পরিমাণ কমিয়ে আধা কেজি বা এক কেজিতে নামিয়ে এনেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাণিজ আমিষের সবচেয়ে সস্তা এই দুই মাছের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের আমিষ গ্রহণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাবে, যা জাতীয় পুষ্টি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাছের খাবারের দাম কমানো এবং সাশ্রয়ী খাদ্য উদ্ভাবনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

28 October 2026

‘গরিবের মাছ’ পাঙাশ ও তেলাপিয়া এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

‘গরিবের মাছ’ পাঙাশ ও তেলাপিয়া এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে

আপডেট এর সময় : ০৩:১৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

রুই-কাতলার পর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের আমিষের শেষ ভরসা পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দামও এখন আকাশচুম্বী। রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে আকারভেদে প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় এবং তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়। ২০২২ সালের তুলনায় এসব মাছের দাম প্রায় ২৫ থেকে ৫৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের পাতে মাছের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ৪ লাখ ৫ হাজার টন পাঙাশ এবং ৩ লাখ ৫৪ হাজার টন তেলাপিয়া উৎপাদিত হয়েছে। তবে মাছের প্রধান উপাদান মাছের খাবারের (ফিড) অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন স্তরের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে খামার থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খরচ বেড়ে গেছে। এর ফলে খুচরা বাজারে এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যেখানে ক্রেতারা আগে এক-দুই কেজি কিনলেও এখন পরিমাণ কমিয়ে আধা কেজি বা এক কেজিতে নামিয়ে এনেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাণিজ আমিষের সবচেয়ে সস্তা এই দুই মাছের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের আমিষ গ্রহণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাবে, যা জাতীয় পুষ্টি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাছের খাবারের দাম কমানো এবং সাশ্রয়ী খাদ্য উদ্ভাবনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

28 October 2026

‘গরিবের মাছ’ পাঙাশ ও তেলাপিয়া এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে