১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই দেশে কেউ E*Scon সম্পর্কে কথা বলতে চায় না

Jaffrey Alam
  • আপডেট এর সময় : ০৫:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 292

এটি একটি খুব শক্তিশালী বক্তব্য। আপনি যে মন্তব্যটি করেছেন, তা থেকে বোঝা যায় যে আপনি বিশ্বাস করেন যে ইস্কন (ISKCON) বা “E*Scon” নিয়ে সমাজে একটি নিষেধাজ্ঞা বা আলোচনার অনীহা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে এই ধরনের অনুভূতি বা আলোচনা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। আপনার বক্তব্য এবং অনুসন্ধানের ফলাফলের ভিত্তিতে, ইস্কন সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো নিম্নরূপ হতে পারে: বিতর্কের উপস্থিতি (Controversies) ইস্কন বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও বিভিন্ন বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে, যা প্রকাশ্য আলোচনাকে কঠিন করে তোলে। শিশু নির্যাতন (Child Abuse): বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে গুরুকুলগুলোতে (বোর্ডিং স্কুল) শিশু নির্যাতন ও যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা। নেতৃত্ব ও ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব (Leadership Disputes): প্রতিষ্ঠাতা শ্রীলা প্রভুপাদের মৃত্যুর পর নেতৃত্ব, গুরুদের ক্ষমতা এবং অর্থায়ন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আইনি লড়াইয়ের ইতিহাস।অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর সাথে মতপার্থক্য (Differences with other Hindu groups): কিছু ঐতিহ্যবাহী হিন্দু গোষ্ঠী দ্বারা ইস্কন-এর ধর্মপ্রচার পদ্ধতিকে “প্রোসেলিটাইজিং” (ধর্মান্তরকরণের চেষ্টা) বলে সমালোচনা করা হয়েছে। এমনকি, ইস্কন-এর সন্ন্যাসীদের পক্ষ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার উদাহরণ রয়েছে। সামাজিক সংবেদনশীলতা (Social Sensitivity) ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে নেতিবাচক কথা বলা সমাজে সাধারণত সংবেদনশীল এবং বিভেদমূলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যারা ইস্কনের সাথে যুক্ত, তাদের বিশ্বাস বা অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার ভয়ে অনেকে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ইস্কন-এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা, দাতব্য কাজ, এবং আন্তর্জাতিক পরিচিতির কারণে, এর বিরুদ্ধে কথা বলাকে কেউ কেউ হিন্দু ধর্মের বা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলার মতো দেখতে পারেন। অর্থের বিষয় ও প্রভাব (Financial Matters and Influence) কিছু অভিযোগ রয়েছে যে ইস্কন-এর তহবিলের ব্যবহার, অর্থ অন্য দেশে স্থানান্তর এবং বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই ধরনের শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দিক নিয়ে কথা বলা জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

আপনি যেমনটি বলেছেন, “কেউ কথা বলতে চায় না”— এটি প্রায়শই কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রভাব, জটিলতা, বা সংবেদনশীলতা নির্দেশ করে।

20 September 2026

এই দেশে কেউ E*Scon সম্পর্কে কথা বলতে চায় না

ট্যাগ :

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

এই দেশে কেউ E*Scon সম্পর্কে কথা বলতে চায় না

আপডেট এর সময় : ০৫:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

এটি একটি খুব শক্তিশালী বক্তব্য। আপনি যে মন্তব্যটি করেছেন, তা থেকে বোঝা যায় যে আপনি বিশ্বাস করেন যে ইস্কন (ISKCON) বা “E*Scon” নিয়ে সমাজে একটি নিষেধাজ্ঞা বা আলোচনার অনীহা রয়েছে। বিভিন্ন কারণে এই ধরনের অনুভূতি বা আলোচনা এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। আপনার বক্তব্য এবং অনুসন্ধানের ফলাফলের ভিত্তিতে, ইস্কন সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণগুলো নিম্নরূপ হতে পারে: বিতর্কের উপস্থিতি (Controversies) ইস্কন বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও বিভিন্ন বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে, যা প্রকাশ্য আলোচনাকে কঠিন করে তোলে। শিশু নির্যাতন (Child Abuse): বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে গুরুকুলগুলোতে (বোর্ডিং স্কুল) শিশু নির্যাতন ও যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা। নেতৃত্ব ও ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব (Leadership Disputes): প্রতিষ্ঠাতা শ্রীলা প্রভুপাদের মৃত্যুর পর নেতৃত্ব, গুরুদের ক্ষমতা এবং অর্থায়ন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আইনি লড়াইয়ের ইতিহাস।অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর সাথে মতপার্থক্য (Differences with other Hindu groups): কিছু ঐতিহ্যবাহী হিন্দু গোষ্ঠী দ্বারা ইস্কন-এর ধর্মপ্রচার পদ্ধতিকে “প্রোসেলিটাইজিং” (ধর্মান্তরকরণের চেষ্টা) বলে সমালোচনা করা হয়েছে। এমনকি, ইস্কন-এর সন্ন্যাসীদের পক্ষ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ পরমহংসের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করার উদাহরণ রয়েছে। সামাজিক সংবেদনশীলতা (Social Sensitivity) ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে নেতিবাচক কথা বলা সমাজে সাধারণত সংবেদনশীল এবং বিভেদমূলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যারা ইস্কনের সাথে যুক্ত, তাদের বিশ্বাস বা অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার ভয়ে অনেকে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ইস্কন-এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা, দাতব্য কাজ, এবং আন্তর্জাতিক পরিচিতির কারণে, এর বিরুদ্ধে কথা বলাকে কেউ কেউ হিন্দু ধর্মের বা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলার মতো দেখতে পারেন। অর্থের বিষয় ও প্রভাব (Financial Matters and Influence) কিছু অভিযোগ রয়েছে যে ইস্কন-এর তহবিলের ব্যবহার, অর্থ অন্য দেশে স্থানান্তর এবং বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই ধরনের শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দিক নিয়ে কথা বলা জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

আপনি যেমনটি বলেছেন, “কেউ কথা বলতে চায় না”— এটি প্রায়শই কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রভাব, জটিলতা, বা সংবেদনশীলতা নির্দেশ করে।

20 September 2026

এই দেশে কেউ E*Scon সম্পর্কে কথা বলতে চায় না