টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
- আপডেট এর সময় : ০৩:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 8
নিজস্ব প্রতিবেদক,মানি লাইন
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২৩টি ইউনিট কাজ করেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন।
বুধবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।
তিনি বলেন, কারখানাটিতে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের ২৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন পুরোপুরি নেভাতে আরও সময় লাগবে।
মহাপরিচালক আরও বলেন, কারখানার সাততলা ভবনের চতুর্থ ও দ্বিতীয় তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ইনজেকশনসহ জরুরি ওষুধ থাকায় আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ১০টার দিকে টঙ্গী শিল্প এলাকার স্কুইব রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ইউনিট-২-এর সাততলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। প্রথমে কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। তবে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে টঙ্গী, সাভার, গাজীপুর, আশুলিয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সদস্যরাও উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।
আগুনের কারণে ঘটনাস্থল ঘিরে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
এ বিষয়ে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল বলেন, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হয়।




















