০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুমকিতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবের অভিযোগ, প্রশ্নে প্রশাসনের নজরদারি

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০৪:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

দুমকিতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবের অভিযোগ, প্রশ্নে প্রশাসনের নজরদারি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণের ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পায়রা ও পাণ্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। সীমিত জনবল ও তদারকির অভাবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আইন অমান্য করে মাছ ধরা চলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।পায়রা নদীর পাঙ্গাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া, জেলেবাড়ি ও বাহেরচর এবং পাণ্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিনদুপুরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে জাল ফেলছেন অনেক জেলে।সরকারি সহায়তা হিসেবে দেওয়া ২৫ কেজি চাল পরিবারের জন্য অপর্যাপ্ত এবং ঋণের কিস্তির চাপ থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকে নদীতে নামছেন।প্রকৃত জেলেরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হলেও অনেক অ-জেলে বা অদক্ষ লোক এই সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে ফিরে মাছ শিকারে লিপ্ত হচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারি বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার জানান, প্রকৃত জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করা, পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান: সীমিত জনবল ও মাত্র ১টি টহল দল থাকায় বিস্তীর্ণ নদী এলাকা একসঙ্গে পাহারা দেওয়া কঠিন হচ্ছে
ইউএনও আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী: বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মতে, মা ইলিশ নিধন বন্ধে কঠোর অভিযান না চালালে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হবে।
14 October 2026

দুমকিতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবের অভিযোগ, প্রশ্নে প্রশাসনের নজরদারি

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

দুমকিতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবের অভিযোগ, প্রশ্নে প্রশাসনের নজরদারি

আপডেট এর সময় : ০৪:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণের ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পায়রা ও পাণ্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। সীমিত জনবল ও তদারকির অভাবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আইন অমান্য করে মাছ ধরা চলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।পায়রা নদীর পাঙ্গাশিয়া, আলগী, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া, জেলেবাড়ি ও বাহেরচর এবং পাণ্ডব নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দিনদুপুরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে জাল ফেলছেন অনেক জেলে।সরকারি সহায়তা হিসেবে দেওয়া ২৫ কেজি চাল পরিবারের জন্য অপর্যাপ্ত এবং ঋণের কিস্তির চাপ থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকে নদীতে নামছেন।প্রকৃত জেলেরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হলেও অনেক অ-জেলে বা অদক্ষ লোক এই সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে ফিরে মাছ শিকারে লিপ্ত হচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারি বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার জানান, প্রকৃত জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করা, পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান: সীমিত জনবল ও মাত্র ১টি টহল দল থাকায় বিস্তীর্ণ নদী এলাকা একসঙ্গে পাহারা দেওয়া কঠিন হচ্ছে
ইউএনও আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী: বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মতে, মা ইলিশ নিধন বন্ধে কঠোর অভিযান না চালালে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হবে।
14 October 2026

দুমকিতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসবের অভিযোগ, প্রশ্নে প্রশাসনের নজরদারি