০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 8

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির

রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রযুক্তি যাতে মানুষের ওপর প্রাধান্য বিস্তার না করে এবং এআইয়ের প্রভাবে দেশে বেকারত্ব সংকট তৈরি বা জটিল না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী এআই-ভিত্তিক যে বড় পরিবর্তন আসছে, তা আগামী দশকে বাংলাদেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। এ প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন, রপ্তানি ও তরুণদের কর্মসংস্থানে সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে। তবে একই সাথে এআই যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য কার্যকর তদারকি ও নিরাপদ নীতিমালা জরুরি, যাতে কোনো অস্তিত্বসংকট তৈরি না হয়।

দেশের তরুণ সমাজকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুফল পেতে তরুণদের সঠিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণে দক্ষ করে তুলতে হবে। একই সাথে ব্যবসায়ীদের প্রতি কেবল খরচ কমানোর হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং নতুন সেবা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির কাজে এআই ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ, নৈতিক এআই নীতিমালা এবং বাংলা ভাষাভিত্তিক নিজস্ব এআই সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য পূরণ সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

5 November 2026

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির

আপডেট এর সময় : ০২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রযুক্তি যাতে মানুষের ওপর প্রাধান্য বিস্তার না করে এবং এআইয়ের প্রভাবে দেশে বেকারত্ব সংকট তৈরি বা জটিল না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী এআই-ভিত্তিক যে বড় পরিবর্তন আসছে, তা আগামী দশকে বাংলাদেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। এ প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন, রপ্তানি ও তরুণদের কর্মসংস্থানে সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে। তবে একই সাথে এআই যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য কার্যকর তদারকি ও নিরাপদ নীতিমালা জরুরি, যাতে কোনো অস্তিত্বসংকট তৈরি না হয়।

দেশের তরুণ সমাজকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুফল পেতে তরুণদের সঠিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণে দক্ষ করে তুলতে হবে। একই সাথে ব্যবসায়ীদের প্রতি কেবল খরচ কমানোর হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং নতুন সেবা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির কাজে এআই ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ, নৈতিক এআই নীতিমালা এবং বাংলা ভাষাভিত্তিক নিজস্ব এআই সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য পূরণ সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

5 November 2026

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেন বেকারত্ব না বাড়ায়: সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির