৬ষ্ঠ গোলন্দাজ পুনর্মিলনী ২০২৬: আর্টিলারি রেজিমেন্টের বাৎসরিক সম্মেলন ও সুবর্ণজয়ন্তী সম্পন্ন: আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সেনাপ্রধানের তাগিদ
- আপডেট এর সময় : ০৩:১৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 3
নিজস্ব প্রতিবেদক,মানি লাইন
চট্টগ্রামের হালিশহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে তিন দিনব্যাপী আর্টিলারি রেজিমেন্টের ৪৫তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন, ৬ষ্ঠ পুনর্মিলনী, ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং দেশমাতৃকার রক্ষায় আর্টিলারি রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন। অধিনায়ক সম্মেলনে তিনি রেজিমেন্টের সার্বিক উন্নয়ন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক যুদ্ধপরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ আভিযানিক সক্ষমতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পেশাগত উৎকর্ষতা বজায় রেখে দেশের যেকোনো প্রয়োজনে সর্বদা প্রস্তুত থাকার জন্য সেনাপ্রধান উপস্থিত অধিনায়কদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন শেষে সেনাপ্রধান ৬ষ্ঠ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং একটি মনোমুগ্ধকর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন। কুচকাওয়াজ শেষে রেজিমেন্টের প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও চেইন অব কমান্ড বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সাথে, গত পাঁচ দশকের দীর্ঘ পথচলায় আর্টিলারি সদস্যদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুল’-এর সুবর্ণজয়ন্তীতে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন সেনাপ্রধান।
এর আগে, গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আর্টিলারি রেজিমেন্টের ১১তম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল আনুষ্ঠানিকভাবে কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। হালিশহরের শহীদ মেজর নাজমুল হক প্যারেড গ্রাউন্ডে তাকে সশস্ত্র গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং প্রথা অনুযায়ী আর্টিলারি রেজিমেন্টের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক ও জ্যেষ্ঠতম মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার তাকে কর্নেল কমান্ড্যান্ট র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড), সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার (চট্টগ্রাম এরিয়া), সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, আর্টিলারি রেজিমেন্টে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং তাঁদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




















