জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তিতাস-২৮ কূপে উত্তোলিত গ্যাস, বাড়বে দেশীয় গ্যাস সরবরাহ
- আপডেট এর সময় : ০৩:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 23
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে নতুন করে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই কূপটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস ও কামতা ফিল্ডে উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের আওতায় ১ মাস আগে ১৩ হাজার ফুট গভীরতার এই তিতাস-২৮ কূপটির খননকাজ শেষ হয়। এই সংযোজনের ফলে জ্বালানি খাতে আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদের আরও চারটি কূপের কাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে। এর মধ্যে তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খনন শেষ হওয়ায় এবং লগিং কার্যক্রম চলায় এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সেখান থেকে ১০-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া তিতাস-৩০ নম্বর কূপ থেকে ৩-৪ মাসের মধ্যে আরও ১০-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অন্য দুটি কূপের ক্ষেত্রে, ৫ হাজার ৬০০ মিটার লক্ষ্যমাত্রার তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপটির কাজ প্রায় ৪,৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। কোনো ভৌগোলিক জটিলতা না থাকলে ২-৩ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে সেখান থেকে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। এই তিতাস-৩১-এর কাজ শেষে বাখরাবাদ-১১ নম্বর গভীর কূপটির কাজ শুরু হবে, যা থেকে দৈনিক আরও ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫টি কূপ মিলে মোট সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে যুক্ত করার এই সুফল আসছে বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নেওয়া উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে।
বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের আনুমানিক মজুত প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। তবে গভীর অনুসন্ধানমূলক তিতাস-৩১ কূপটির সফল খনন এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে নতুন করে আরও প্রায় ২ টিসিএফ গ্যাসের মজুত আবিষ্কৃত হতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।



















