০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিত্যপণ্যের বাজারে তেলের দোহাই: দিশেহারা সাধারণ মানুষ

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17

নিত্যপণ্যের বাজারে তেলের দোহাই: দিশেহারা সাধারণ মানুষ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে খুচরা বাজারে চাল, ডিম, আটা ও ময়দাসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হয়েছে। পরিবহন খরচ সামান্য বাড়লেও বাজারে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে বহুগুণ বেশি, যা সাধারণ মানুষের আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য নষ্ট করে চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। আটা ও ময়দার দাম চলতি সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন প্যাকেটজাত আটা ৭০ টাকা ও ময়দা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; পাশাপাশি খোলা আটা ও ময়দার দামও কেজিপ্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, তেলের কারণে চাল ও মুড়ির পরিবহন খরচ কেজিপ্রতি মাত্র ২৭ পয়সার মতো বাড়লেও খুচরা বাজারে তা ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। একইভাবে ডজনপ্রতি ১৬০ টাকায় ঠেকেছে ফার্মের ডিমের দাম। সয়াবিন তেলের মূল্য লিটারে ৫ টাকা বাড়ার পরও বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে এবং প্যাকেটজাত তরল দুধ ও আমদানিকৃত ফলের দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

বাজারের এই বিশৃঙ্খলা ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সুযোগসন্ধানী মুনাফা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের কারণে পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ ঠিক কত পয়সা বাড়ল, তা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত হিসাব করে প্রকাশ করা উচিত, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে তদারকি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তেলের অজুহাতে অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না এবং বাজারে মাঠপর্যায়ের নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

24 September 2026

নিত্যপণ্যের বাজারে তেলের দোহাই: দিশেহারা সাধারণ মানুষ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

নিত্যপণ্যের বাজারে তেলের দোহাই: দিশেহারা সাধারণ মানুষ

আপডেট এর সময় : ১২:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে খুচরা বাজারে চাল, ডিম, আটা ও ময়দাসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হয়েছে। পরিবহন খরচ সামান্য বাড়লেও বাজারে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে বহুগুণ বেশি, যা সাধারণ মানুষের আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য নষ্ট করে চরম ভোগান্তিতে ফেলছে। আটা ও ময়দার দাম চলতি সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন প্যাকেটজাত আটা ৭০ টাকা ও ময়দা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; পাশাপাশি খোলা আটা ও ময়দার দামও কেজিপ্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, তেলের কারণে চাল ও মুড়ির পরিবহন খরচ কেজিপ্রতি মাত্র ২৭ পয়সার মতো বাড়লেও খুচরা বাজারে তা ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। একইভাবে ডজনপ্রতি ১৬০ টাকায় ঠেকেছে ফার্মের ডিমের দাম। সয়াবিন তেলের মূল্য লিটারে ৫ টাকা বাড়ার পরও বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে এবং প্যাকেটজাত তরল দুধ ও আমদানিকৃত ফলের দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

বাজারের এই বিশৃঙ্খলা ও অসাধু ব্যবসায়ীদের সুযোগসন্ধানী মুনাফা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের কারণে পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ ঠিক কত পয়সা বাড়ল, তা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত হিসাব করে প্রকাশ করা উচিত, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে তদারকি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তেলের অজুহাতে অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না এবং বাজারে মাঠপর্যায়ের নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

24 September 2026

নিত্যপণ্যের বাজারে তেলের দোহাই: দিশেহারা সাধারণ মানুষ