সকালে বিচ্ছিন্ন করা হলে বিকালেই গ্যাস সংযোগ দেয় দালাল চক্র
- আপডেট এর সময় : ০১:৫৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
- / 358
দিন দিন তিব্র হচ্ছে গ্যাস সংকট। বাড়ছে শিল্প কারখানায় গ্যাসের মূল্য। কিন্তু কিছু অসাধু চক্রের মদদে বছরের পর বছর ধরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে আসছে অনেক প্রতিষ্ঠান। তালিকায় রয়েছে শিল্প কারখানা, হোটেল, রেস্তোরা থেকে শুরু করে আবাসিক ভবনও। এতে প্রতিবছর কয়েকশ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। আর গ্যাস সংকটে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বৈধ সংযোগ নেয়া গ্রাহকদের। রাজধানীর মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় গ্যাস সংকট দীর্ঘ দিনের। সময় মতো গ্যাসের চাপ না পাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ সিমাহীন। এলাকাবাসীর আক্ষেপ, যেখানে বৈধ সংযোগে তারা ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছেন না, সেখানে বেশকটি কারখানায় দীর্ঘ দিন ধরেই চলছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ। এর সঙ্গে দালাল চক্র আর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের গুটি কয়েক অসাধু কর্মকর্তা জড়িত বলেও দাবি তাদের। অনেকেই অভিযোগ করেন, স্থানীয় শফিক মাস্টার নামের এক ব্যাক্তি সকালে বিচ্ছিন্ন করা সংযোগ নাকি বিকালেই লাগিয়ে দেন। শুধু শফিক নয় এমর অন্তত আরও ১০—১২ জন রয়েছেন এই কর্মকান্ডে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে একটি কারখানার মালিক অবৈধ সংযোগের কথা স্বীকার করে বলেন কদিন আগেই তার কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। তবে কাদের মাধ্যমে এই সংযোগ নিয়েছিলেন তার নাম বলেননি তিনি। অন্য একটি কারখানার মালিক দাবি কলের, গ্যাস সংযোগ নয়, গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে চলছে তার প্রতিষ্ঠান। কেউ আবার আবাসিক এলাকা থেকে নিজ প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিচ্ছেন বলেও জানান। এদিকে, তিতাসের মিরপুরের ডিজিএম মাকসুদুর রহমান জানান, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চলছে নিয়মিত অভিযান। ছাড় দেয়া হবে না অবৈধ সংযোগে জড়িত কর্মকর্তা—কর্মচারীদেরও। এরআগে, অভ্যুত্থানের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে মিরপুরে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর পুনরায় সংযোগ দেয়ার কথা বলে ঘুষ নেয়ার সময় তিতাসের ৫ কর্মকর্তা—কর্মচারীতে গণধোলাই দিয়ে থানায় হস্থান্তর করে ছাত্র—জনতা।




















