১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষের কারবার প্রকাশ্যে আসায় তুঘলকি কান্ড অতিরিক্ত সচিবের

Jaffrey Alam
  • আপডেট এর সময় : ০৭:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 211

২০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব তসলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষের মাধ্যমে তিনি বাগিয়ে নিয়েছেন পদন্নতি। এর জন্য করেছে ২০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন। এক চুক্তিপত্রের খসড়ায় এর প্রমাণও মিলে।

যে খসড়ায় দেখা যায়, নিজের স্বামীর প্রতিষ্ঠানের নামে ২০ কোটি টাকা ঋণ চুক্তিতে সম্মতিকারকের স্থানে সাক্ষর করেছেন তসলিমা আক্তার। তার সিল ও সাক্ষর রয়েছে সংযুক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রেও।

আর এসব চুক্তি হয় রাজধানীর উত্তরার ইম্পেরিয়াল লাউঞ্জে। শুধু তাই নয় অডিও রেকর্ডে আরো ভয়াবহ তথ্য পাওয়া গেছে তসলিমার বিরুদ্ধে। যেখানে দপ্তরের ৪ থেকে ৫ ধাপে ঘুষ দেয়ার পাশাপাশি উপদেষ্টার নামও ভাঙিয়েছেন তসলিমা আক্তার।

অভিযোগ রয়েছে, ঋণ চুক্তির বিনিময়ে মোটা অংকের টাকার কাজ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিমা আক্তার।

অডিও রেকর্ডে তসলিমার স্বামীকে বলতে শোনা যায়, উনি এখন দপ্তরের মা-বাপ, আপনি যে কোন কাজ দিবেন হয়ে যাবে।

সম্প্রতি দেশের একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলে এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। এ ঘটনায় তুঘলি কাণ্ড ঘটিয়েছেন এই অতিরিক্ত সচিব। বেসরকারি টেলিভিশনটির প্রতিবেদকসহ ৪ জনের নামে একটি মামলাও করেছেন তসলিমা আক্তারের স্বামী। যেখানে বলা হয়েছে উত্তরায় ওই হোটেলে চেতনানাষক দিয়ে তার স্ত্রীর ও তাকে দিয়ে কিছু কাগজে সাক্ষর নেয়া হয়। পরে ওই কাগজ দিয়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করেন চক্রটি।

অথচ ওই দিনের অডিও রেকর্ডে তিনি বা তার স্ত্রী তসলিমা আক্তারের কথোপকথনে এমন কোন জড়তা বা অস্বাভাবিক কোন কিছুই পাওয়া যায়নি। দুজনে সাবলিল ও স্বাভাবিক ভাবে ঋণ নেয়ার কারণ ও পরবর্তিতে কি কি সুবিধা দেবেন তা সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের বলেন। এমনকি সিসি ক্যামেরা ফুটেজেও দুজনকে স্বাভাবিক ভাবে হাটাচলা করতে দেখা যায়।

অনৈতিক লেনদেনে ক্ষমতা দখল ও একটি মহলকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার এই প্রতিশ্রুতি জন্ম দিয়েছে নানান প্রশ্নের। এমনকি মামলা দায়ের করে বিষয়টি ভিন্নখাতে নেয়ার অপচেষ্টাও জন্ম দিয়েছে সন্দেহের।

 

31 October 2026

ঘুষের কারবার প্রকাশ্যে আসায় তুঘলকি কান্ড অতিরিক্ত সচিবের

ট্যাগ :

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

ঘুষের কারবার প্রকাশ্যে আসায় তুঘলকি কান্ড অতিরিক্ত সচিবের

আপডেট এর সময় : ০৭:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

২০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব তসলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষের মাধ্যমে তিনি বাগিয়ে নিয়েছেন পদন্নতি। এর জন্য করেছে ২০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন। এক চুক্তিপত্রের খসড়ায় এর প্রমাণও মিলে।

যে খসড়ায় দেখা যায়, নিজের স্বামীর প্রতিষ্ঠানের নামে ২০ কোটি টাকা ঋণ চুক্তিতে সম্মতিকারকের স্থানে সাক্ষর করেছেন তসলিমা আক্তার। তার সিল ও সাক্ষর রয়েছে সংযুক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রেও।

আর এসব চুক্তি হয় রাজধানীর উত্তরার ইম্পেরিয়াল লাউঞ্জে। শুধু তাই নয় অডিও রেকর্ডে আরো ভয়াবহ তথ্য পাওয়া গেছে তসলিমার বিরুদ্ধে। যেখানে দপ্তরের ৪ থেকে ৫ ধাপে ঘুষ দেয়ার পাশাপাশি উপদেষ্টার নামও ভাঙিয়েছেন তসলিমা আক্তার।

অভিযোগ রয়েছে, ঋণ চুক্তির বিনিময়ে মোটা অংকের টাকার কাজ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিমা আক্তার।

অডিও রেকর্ডে তসলিমার স্বামীকে বলতে শোনা যায়, উনি এখন দপ্তরের মা-বাপ, আপনি যে কোন কাজ দিবেন হয়ে যাবে।

সম্প্রতি দেশের একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলে এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। এ ঘটনায় তুঘলি কাণ্ড ঘটিয়েছেন এই অতিরিক্ত সচিব। বেসরকারি টেলিভিশনটির প্রতিবেদকসহ ৪ জনের নামে একটি মামলাও করেছেন তসলিমা আক্তারের স্বামী। যেখানে বলা হয়েছে উত্তরায় ওই হোটেলে চেতনানাষক দিয়ে তার স্ত্রীর ও তাকে দিয়ে কিছু কাগজে সাক্ষর নেয়া হয়। পরে ওই কাগজ দিয়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করেন চক্রটি।

অথচ ওই দিনের অডিও রেকর্ডে তিনি বা তার স্ত্রী তসলিমা আক্তারের কথোপকথনে এমন কোন জড়তা বা অস্বাভাবিক কোন কিছুই পাওয়া যায়নি। দুজনে সাবলিল ও স্বাভাবিক ভাবে ঋণ নেয়ার কারণ ও পরবর্তিতে কি কি সুবিধা দেবেন তা সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের বলেন। এমনকি সিসি ক্যামেরা ফুটেজেও দুজনকে স্বাভাবিক ভাবে হাটাচলা করতে দেখা যায়।

অনৈতিক লেনদেনে ক্ষমতা দখল ও একটি মহলকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার এই প্রতিশ্রুতি জন্ম দিয়েছে নানান প্রশ্নের। এমনকি মামলা দায়ের করে বিষয়টি ভিন্নখাতে নেয়ার অপচেষ্টাও জন্ম দিয়েছে সন্দেহের।

 

31 October 2026

ঘুষের কারবার প্রকাশ্যে আসায় তুঘলকি কান্ড অতিরিক্ত সচিবের