০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

Din Islam
  • আপডেট এর সময় : ১২:৩১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় কর্মকর্তার মধ্যে একজনকে মৃত্যুদণ্ড, চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায়ের তারিখ থেকেই তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমরুল।

ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর একটি মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রাজশাহীর সারদায় সংযুক্ত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম সিলেট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি ঢাকা জেলায় কর্মরত ছিলেন। ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম কক্সবাজার ১৬ এপিবিএন কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমরুল কক্সবাজারের উখিয়া ৮ এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ডিএমপির রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কক্সবাজারে ২৬ জানুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই চাকরি থেকে বরখাস্তের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

25 September 2026

৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

ট্যাগ :

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

আপডেট এর সময় : ১২:৩১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় কর্মকর্তার মধ্যে একজনকে মৃত্যুদণ্ড, চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রায়ের তারিখ থেকেই তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম এবং সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমরুল।

ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর একটি মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার চাকরিচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রাজশাহীর সারদায় সংযুক্ত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম সিলেট ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফি ঢাকা জেলায় কর্মরত ছিলেন। ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম কক্সবাজার ১৬ এপিবিএন কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা জেলার সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমরুল কক্সবাজারের উখিয়া ৮ এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ডিএমপির রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর মামলায় তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কক্সবাজারে ২৬ জানুয়ারি থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই চাকরি থেকে বরখাস্তের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

25 September 2026

৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত