০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশীয় গ্যাসে জোর: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, গ্রিডে যুক্ত ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০৩:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 20

দেশীয় গ্যাসে জোর: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, গ্রিডে যুক্ত ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গতি পেয়েছে। বিএনপির নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাত মাসে ৩২টি কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন আরও বাড়াতে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি এবং ২০৩১–৩৫ মেয়াদে আরও ১৫০টি কূপ খননের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

পেট্রোবাংলার অধীনে এসজিএফএল-এর ১৪টি, বাপেক্স-এর ১১টি এবং বিজিএফসিএল-এর ৭টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর দৈনিক সরবরাহ ৫৬৬ এমএমসিএফ থেকে বেড়ে প্রায় ৭০০ এমএমসিএফে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে দেশে দৈনিক ৩,৮০০ এমএমসিএফ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২,৬০০ এমএমসিএফ (যার মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১,৬০০ এমএমসিএফ এবং এলএনজি আমদানি থেকে ৯০০-১,০০০ এমএমসিএফ)।

তবে নতুন উৎপাদন বাড়লেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাইপলাইন জটিলতার কারণে আরও প্রায় ৬০ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, প্রায় ১,০০০ এমএমসিএফের বেশি ঘাটতি মেটাতে দ্রুত অনুসন্ধানের পাশাপাশি সঞ্চালন ও প্রসেসিং অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে আরও সাতটি কূপের খননকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে, যা জানুয়ারির মধ্যে শেষ হলে আরও ৯৬ এমএমসিএফ গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। পাশাপাশি ১৯টি চলমান ও ৯টি প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন ৩১টি কূপ এবং অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জোর প্রস্তুতি চলছে।

11 October 2026

দেশীয় গ্যাসে জোর: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, গ্রিডে যুক্ত ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

দেশীয় গ্যাসে জোর: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, গ্রিডে যুক্ত ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস

আপডেট এর সময় : ০৩:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গতি পেয়েছে। বিএনপির নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাত মাসে ৩২টি কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন আরও বাড়াতে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি এবং ২০৩১–৩৫ মেয়াদে আরও ১৫০টি কূপ খননের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

পেট্রোবাংলার অধীনে এসজিএফএল-এর ১৪টি, বাপেক্স-এর ১১টি এবং বিজিএফসিএল-এর ৭টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর দৈনিক সরবরাহ ৫৬৬ এমএমসিএফ থেকে বেড়ে প্রায় ৭০০ এমএমসিএফে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে দেশে দৈনিক ৩,৮০০ এমএমসিএফ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২,৬০০ এমএমসিএফ (যার মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১,৬০০ এমএমসিএফ এবং এলএনজি আমদানি থেকে ৯০০-১,০০০ এমএমসিএফ)।

তবে নতুন উৎপাদন বাড়লেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাইপলাইন জটিলতার কারণে আরও প্রায় ৬০ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, প্রায় ১,০০০ এমএমসিএফের বেশি ঘাটতি মেটাতে দ্রুত অনুসন্ধানের পাশাপাশি সঞ্চালন ও প্রসেসিং অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে আরও সাতটি কূপের খননকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে, যা জানুয়ারির মধ্যে শেষ হলে আরও ৯৬ এমএমসিএফ গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। পাশাপাশি ১৯টি চলমান ও ৯টি প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন ৩১টি কূপ এবং অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জোর প্রস্তুতি চলছে।

11 October 2026

দেশীয় গ্যাসে জোর: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, গ্রিডে যুক্ত ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস