০৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 16

পাবনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন

পাবনা সদর উপজেলার দড়িভাউডাঙ্গা এলাকার পদ্মার পাশের একটি নুরানী মহিলা মাদরাসায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামের ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফজরের আজানের আগে সে শৌচাগারে যাওয়ার সময় শিক্ষক আবু ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। সেসময় ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে ধরে ফেলে। ভুক্তভোগী আরও জানায়, এর আগেও তাকে চেতনানাশক খাইয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে, গোপন রাখার জন্য খাওয়ানো হতো জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ এবং ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতো। প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ছাত্রীদের সাথেও অভিযুক্ত শিক্ষক একই আচরণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই মাদরাসা ও অভিযুক্তের বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। উল্লেখ্য, আনুমানিক ১৫০ জন ছাত্রী পড়ালেখা করা এই মাদরাসার অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পূর্বে নিজ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তার স্ত্রীর স্বজনেরা। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ও পুলিশ সুপার আলী আশরাফ জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়েরসহ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

30 October 2026

পাবনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

পাবনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন

আপডেট এর সময় : ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার দড়িভাউডাঙ্গা এলাকার পদ্মার পাশের একটি নুরানী মহিলা মাদরাসায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামের ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফজরের আজানের আগে সে শৌচাগারে যাওয়ার সময় শিক্ষক আবু ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। সেসময় ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে ধরে ফেলে। ভুক্তভোগী আরও জানায়, এর আগেও তাকে চেতনানাশক খাইয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে, গোপন রাখার জন্য খাওয়ানো হতো জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ এবং ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতো। প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ছাত্রীদের সাথেও অভিযুক্ত শিক্ষক একই আচরণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই মাদরাসা ও অভিযুক্তের বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। উল্লেখ্য, আনুমানিক ১৫০ জন ছাত্রী পড়ালেখা করা এই মাদরাসার অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পূর্বে নিজ স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তার স্ত্রীর স্বজনেরা। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ও পুলিশ সুপার আলী আশরাফ জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়েরসহ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

30 October 2026

পাবনায় মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতন: অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ, প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও আগুন