৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট এর সময় : ১২:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / 4
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু ও মিত্র চিহ্নিত করার দিন। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনীতে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের তুলনা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৭১ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২৪ ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ”। সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি ঘোষণা করেন, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ”।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। এটি দেশের শত্রু ও মিত্রকে চেনার অনন্য এক উপলক্ষ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অতীতের মতো এখনও চক্রান্ত অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন।
তারেক রহমান আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট অপশক্তি মহাজোটের আড়ালে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের গৌরবময় সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে দেশে এক চরম ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই ৭ নভেম্বরের অপশক্তির আবারও পরাজয় ঘটেছে।
তরুণ সমাজের ওপর আস্থা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্ম যদি ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে দেশের অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। তরুণরা বারবার প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের স্বার্থের প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের আপস করে না। সরকার তরুণ প্রজন্মের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এবং তাদের সব সম্ভাবনা বিকশিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নেন।

আর্মি স্টেডিয়ামের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।



















