০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত জনতা ব্যাংক, আদায় নিয়ে শঙ্কা

Jakir Hossain
  • আপডেট এর সময় : ০৪:৪২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 194

বিগত আওয়ামী লীগ আমলে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জনতা ব্যাংকে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর মূল সুবিধাভোগী ছিলেন ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা। চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছেই আটকে আছে প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা। তাদের কাছ থেকে জানুয়ারি-জুন সময়ে নগদ আদায় হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। অন্য খেলাপি গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় হয়েছে ২৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে গত ছয় মাসে জনতা ব্যাংক খেলাপি ঋণ থেকে আদায় করতে পেরেছে ২৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
জনতা ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের তালিকায় রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, এননটেক্স গ্রুপ, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, রানাকা গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপ, রিমেক্স ফুটওয়্যার, শিকদার গ্রুপ, জনকণ্ঠ গ্রুপ, লিথুন ফ্যাব্রিক্স, হাবিব হোটেল, লেক্সকো লিমিটেড, চৌধুরী গ্রুপ, আনন্দ শিপইয়ার্ড, বিআর শিপিং মিলস, ঢাকা নর্থ পাওয়ার, ইব্রাহিম গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, ডেল্টা কম্পোজিট ও আদিল করপোরেশন।
ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিগত সরকারের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যাংকেরই একটি অসাধু চক্রের সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা লুটেপুটে খেয়েছে জনতা ব্যাংক। যে কারণে আজ খাঁদের কিনারায় এক সময়ের শিল্পখাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করা ব্যাংকটি। তারা আরও জানান, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, আবার কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় কার্যক্রম প্রায় থেমে গেছে। এ কারণেই শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছ থেকে আদায়ের পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক।

18 September 2026

খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত জনতা ব্যাংক, আদায় নিয়ে শঙ্কা

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

abc

খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত জনতা ব্যাংক, আদায় নিয়ে শঙ্কা

আপডেট এর সময় : ০৪:৪২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিগত আওয়ামী লীগ আমলে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জনতা ব্যাংকে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর মূল সুবিধাভোগী ছিলেন ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা। চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছেই আটকে আছে প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা। তাদের কাছ থেকে জানুয়ারি-জুন সময়ে নগদ আদায় হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। অন্য খেলাপি গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় হয়েছে ২৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে গত ছয় মাসে জনতা ব্যাংক খেলাপি ঋণ থেকে আদায় করতে পেরেছে ২৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
জনতা ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের তালিকায় রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, এননটেক্স গ্রুপ, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, রানাকা গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপ, রিমেক্স ফুটওয়্যার, শিকদার গ্রুপ, জনকণ্ঠ গ্রুপ, লিথুন ফ্যাব্রিক্স, হাবিব হোটেল, লেক্সকো লিমিটেড, চৌধুরী গ্রুপ, আনন্দ শিপইয়ার্ড, বিআর শিপিং মিলস, ঢাকা নর্থ পাওয়ার, ইব্রাহিম গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, ডেল্টা কম্পোজিট ও আদিল করপোরেশন।
ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বিগত সরকারের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যাংকেরই একটি অসাধু চক্রের সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা লুটেপুটে খেয়েছে জনতা ব্যাংক। যে কারণে আজ খাঁদের কিনারায় এক সময়ের শিল্পখাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করা ব্যাংকটি। তারা আরও জানান, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, আবার কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় কার্যক্রম প্রায় থেমে গেছে। এ কারণেই শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছ থেকে আদায়ের পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক।

18 September 2026

খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত জনতা ব্যাংক, আদায় নিয়ে শঙ্কা