০৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ড সুবিধার আড়ালে কালোবাজারি, বেরিয়ে আসছে রাঘব বোয়ালদের নাম

Jaffrey Alam
  • আপডেট এর সময় : ১১:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 408

দ্রুত ও সহজে পোশাক রপ্তানির জন্য রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বন্ড সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। কিন্তু এ সুবিধার অপব্যহার করছে একটি অসাধু চক্র  রপ্তানিমুখী শিল্পের কথা বলে ট্রাকে ট্রাকে আনা শুল্কফাঁকির পণ্য যাচ্ছে কালোবাজারে। এতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় শিল্পখাত, তেমনি সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে। বন্ড সুবিধার পণ্য কালোবাজারে বিক্রি এবং চোরাকারবারি ঠেকাতে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়েছে। তবু ঠেকানো যাচ্ছে না অসাধু চক্রকে।

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ১৯৬৯ সালের কাস্টমস আইনের আওতায় রপ্তানিমুখী খাতকে বন্ডেড ওয়্যারহাইজ বা বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এসব কাঁচামাল বা পণ্য সরকার-নির্ধারিত গুদামে (বন্ডেড ওয়্যারহাউস) রক্ষিত থাকে। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী দেশে শুল্কমুক্ত পণ্য এনে অবৈধভাবে অপসারণের মাধ্যমে তা খোলাবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বন্ড সুবিধায় আনা কাপড়, প্লাস্টিক দ্রব্য, কাগজপণ্য, ডুপ্লেক্স বোর্ড, আর্ট কার্ড, কার্ড বোর্ড, বৈদ্যুতিক পাখা ইত্যাদি দ্রব্য ও পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে প্রকাশ্যে।

এনবিআর সূত্র বলছেন, কখনো চালান না দিয়ে, কখনো ভুয়া চালান দিয়ে বা কখনো একই চালান একাধিকবার ব্যবহার করে এবং বন্ডের আওতায় অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের তৎপরতায় এখন বন্ডের অপব্যবহার কিছুটা কমে এসেছে। যারা বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে এনবিআর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্ড দুর্নীতিতে জড়িয়ে আছে বড় কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠির নাম।

27 July 2026

বন্ড সুবিধার আড়ালে কালোবাজারি, বেরিয়ে আসছে রাঘব বোয়ালদের নাম

abc

বন্ড সুবিধার আড়ালে কালোবাজারি, বেরিয়ে আসছে রাঘব বোয়ালদের নাম

আপডেট এর সময় : ১১:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

দ্রুত ও সহজে পোশাক রপ্তানির জন্য রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বন্ড সুবিধা দিয়ে থাকে সরকার। কিন্তু এ সুবিধার অপব্যহার করছে একটি অসাধু চক্র  রপ্তানিমুখী শিল্পের কথা বলে ট্রাকে ট্রাকে আনা শুল্কফাঁকির পণ্য যাচ্ছে কালোবাজারে। এতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় শিল্পখাত, তেমনি সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে। বন্ড সুবিধার পণ্য কালোবাজারে বিক্রি এবং চোরাকারবারি ঠেকাতে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়েছে। তবু ঠেকানো যাচ্ছে না অসাধু চক্রকে।

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ১৯৬৯ সালের কাস্টমস আইনের আওতায় রপ্তানিমুখী খাতকে বন্ডেড ওয়্যারহাইজ বা বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এসব কাঁচামাল বা পণ্য সরকার-নির্ধারিত গুদামে (বন্ডেড ওয়্যারহাউস) রক্ষিত থাকে। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী দেশে শুল্কমুক্ত পণ্য এনে অবৈধভাবে অপসারণের মাধ্যমে তা খোলাবাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বন্ড সুবিধায় আনা কাপড়, প্লাস্টিক দ্রব্য, কাগজপণ্য, ডুপ্লেক্স বোর্ড, আর্ট কার্ড, কার্ড বোর্ড, বৈদ্যুতিক পাখা ইত্যাদি দ্রব্য ও পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে প্রকাশ্যে।

এনবিআর সূত্র বলছেন, কখনো চালান না দিয়ে, কখনো ভুয়া চালান দিয়ে বা কখনো একই চালান একাধিকবার ব্যবহার করে এবং বন্ডের আওতায় অবৈধভাবে পণ্য খালাস করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছেন। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের তৎপরতায় এখন বন্ডের অপব্যবহার কিছুটা কমে এসেছে। যারা বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে এনবিআর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্ড দুর্নীতিতে জড়িয়ে আছে বড় কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠির নাম।

27 July 2026

বন্ড সুবিধার আড়ালে কালোবাজারি, বেরিয়ে আসছে রাঘব বোয়ালদের নাম